রবিবার, ৩ মে, ২০১৫

" তোমার রাক্ষুসে মুখের আহার অনির্ণেয় মানুষের মৃত্যুর সমাহার "




বহুদিন যাবত কিছু অস্থিরতা নিয়ে বসবাস করছি
কিছু না বলতে পারার হাহাকার
আবার কিছু বলতে পারার ভয়
কিছু মিথ্যা, কিছু সত্য, কিছু প্রেম এবং কিছু অভিনয়  
সব আষ্টেপৃষ্ঠে বেধে ফেলার এক নির্দয় চক্রান্তে মেতে উঠছে।

তাই এই সমাবেশে –
ভদ্রমহোদয় এবং ভদ্রমহোদয়াদের সামনে কিছু পেশ করছি;
কেউ হয়তো শুনছেন না
অনেকে কানে দেশলাইকাঠি ঢুকিয়ে পরামান্দ লাভ করছেন
তাই বলে আমি বলবো না, তা তো হয় না
নেতা-নেত্রীদের মতো প্রতিদিন এমন সুযোগ আমার তো আর হবে না;     
তাই কিছু বলি ।

বলি সেই অতীতের কথা
যখন সে এলো তখন সে সব খেয়ে এলো
টনকে টন তাজা রক্ত খেলো
মায়ের শুকিয়ে যাওয়া বুকের দুধ খেলো
অভুক্ত শিশুর কান্না খেলো
প্রেমিক-প্রেমিকার প্রথম প্রণয়ের প্রথম স্পর্শ খেলো
প্রেম-ভক্তি-সততা সু-রাজনীতি সব খেলো !
অতঃপর এলো, নিরাকার ছেড়ে আকার হয়ে এলো
কিন্তু ততদিনে তার অভুক্ত পেট ধীরে ধীরে বিশাল হয়েছে
যেন দীর্ঘ ক্ষুধিত মন্বন্তর থেকে উঠে আসা এক মস্ত রাক্ষুস !

সেই থেকে তার খাওয়া শুরু
রমনায় সে কিছু খেলো কিছু ছিন্নভিন্ন করে দিলো
রাতের আধো-আধারে সত্য কিছু মুখকে সে
কুপিয়ে কুপিয়ে তাদের থলথলে রক্ত মিশ্রিত মাংস খেলো
রাস্তায় রাস্তায় নারীদের বস্ত্র খেয়ে মহাভারতের
খলনায়ক হওয়ার পরম গৌরবে গৌরবান্বিত হয়ে
তৃপ্তির ঢেকুরের আওয়াজটা বেশ মিষ্টি করে বাজালো সে;

আজ এতদিন পরও তার ক্ষুধা তৃষ্ণা মেটে না
আজও সে রক্ত খায়, আজও সে মালাউনদের ভিটেমাটি খায়
পাশের বাড়ির পাচুর মায়ের অনুর্বর বুকে ক্ষত সৃষ্টি করে
তার বয়ষ্ক ভাতাটা কিংবা তার সোমত্ত মেয়েটার যোনিপথটা সে খায়
রসিয়ে রসিয়ে লালা ঝরিয়ে ঝরিয়ে খায় ।  
আজও সে তোমার আমার বাংলা গান-কবিতা খায়
মায়ের সুখগুলো খায়, বলতে যাওয়া কথাগুলো খায়
অবশেষে তোমাকে ভালোবাসি এই কথাটুকুও সে খায় ।

হে স্বাধীনতা,
তোমার রাক্ষুসে মুখের আহার অনির্ণেয় মানুষের মৃত্যুর সমাহার ।  
তুমি ফিরিয়ে নাও তোমার সবকিছু
আমাকে ফিরিয়ে দাও সেইসব আদিম দিন, যেইসব আদিম দিনে-
স্বাধীনতা নামক শব্দটার সৃষ্টির  প্রয়োজনই হয়নি ।


অফটপিকঃ

“আর ক্ষমতার রঙে রঙ্গিন চশমা পড়ে কিছু নারী-পুরুষ নিশ্চুপ থাকে-  
নিঃশ্চুপ থাকে তাদের নারীত্ব, নিঃশ্চুপ থাকে তাদের পুরুষত্ব !
নিঃশ্চুপ থাকে তাদের মমত্ব, নিঃশ্চুপ থাকে তাদের মানবতা   
তারা মানব শ্রেণির লিঙ্গ বিচারে চতুর্থ পর্যায়ের, বুঝলেন কিনা ? তারা রাজনীতিবিদ !”   

বুধবার, ২১ মে, ২০১৪

" শুদ্ধ প্রেম "




মস্তিষ্কের হাজারো নিউরনে চাপ প্রয়োগ করে
স্বপ্ন দেখেতে শিখেছি
আর সেই স্বপ্নে ভর দিয়ে হাঁটা শিখেছি ; 

কিন্তু ভালোবাসতে পারিনি, প্রেমে পড়তে পারিনি -
না জননীকে, না কোন আবেদনময়ী রমনীকে  
কিংবা কোন আদিম ধর্মকে !

কিন্তু তারপরও প্রেম চাই একটিবার
চাই শুদ্ধ প্রেম !

পাবনাঃ ২১-০৫-১৪

শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

" আসমান " By.... রাজন কবির


কাশ তুমি-
ট পাথরের এই শহরে
রিক্ত সকল হৃদয় মাঝে
ম্র নীলের আবরণে
গলে রাখো সযতনে
মিষ্টি মধুর মায়ায় বুনে ।

তোমার কাঁদন ঝরায় বৃষ্টি
মাতিয়ে তোলে সকল সৃষ্টি!
কেমনে হাসো সূর্যের হাসি ?

ভালোবাসি, বড্ড ভালোবাসি।
লোভ নেই, চাইনা তোমায়
বাসবো ভালো, বেসো না আমায়
সিক্ত চোখে এটুকু চাওয়াই !

বুধবার, ১৪ মে, ২০১৪

" আদম ইচ্ছার অপমৃত্যু "



বসন্তে যে প্রেম পাখিটি বহু বছরের
বহু বন্ধুর পথ বেয়ে এসেছিলো -
চৈত্রের তীক্ষ্ণ দাবদাহের প্রতাপে
সে তার শুভ্র ডানার পালক গুলো
পুড়িয়ে ফেললো !

আর বৈশাখী রাতের দোর্দণ্ডপ্রতাপ
মাতাল ঝড়ে পড়ে
সে হয়ে গেলো বিধ্বস্ত-ধ্বংস।

হায় ! তাকে খুঁজে পাওয়ার মতো
আর একটি পালকও আর পড়ে রইলো না
আদম মাটিতে !
..........................................................


পাবনাঃ ২১-০৪-১৪

বুধবার, ৭ মে, ২০১৪

" একাকীত্ব "


 

নির্জন ঘরে নোনাধরা দেয়ালের
ভেজা ভ্যাঁপসা শীতল অন্ধকার কোণে
নিজেকে লুকিয়ে রাখি ।

কিছু অব্যক্ত কথা কুরে কুরে খায়
কিছু অমোচনীয় অঙ্কুরিত পাপ বটবৃক্ষের রূপ নেয় ; 
মস্তিষ্কের প্রতিটি নিউরন ধীরে ধীরে
অন্ধকারে ডুবে যেতে থাকে -

শুধু সামনে মরিচা পড়া খোলা জানালায়
শেষ অগ্রহায়ণের শীত সকালের এক চিলতে
ঝাপসা আলো আলতো করে উকি দিয়ে যায় ! 


                                                                                                     পাবনা-২৭/১২/১৩

"বিপ্রতীপ"



ভালোবসার দেহ আজি ভালোবাসায় পুড়ে
ছাই হয়ে তবু তারা তোমার পিছু ছোটে
স্বপ্নহীন হৃদয়ে আজো স্বপ্ন ভীর করে
বিপ্রতীপ কোণে আজো তোমায় আশা করে ।

তোমার চোখে তোমার মুখে
তোমার নাকের ভাজে
স্বপ্ন গুলো খেলতো সেদিন আমার প্রকাশ হয়ে !

আজ তুমি মিথ্যে হয়ে মিথ্যা খেলায় মাতো
আলেয়া হয়ে আলোর কারসাজি ভালোই রপ্ত করো
স্বপ্ন আমার স্বপ্ন সে তো; হায় রে –
স্বপ্ন আমার স্বপ্ন সে তো
ধূলি হয়ে রেসের মাঠে উড়ে !

পাবনা -০৫-০৫-১৪-

শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

" চুমু যে আর চাচ্ছি না "



১.
তোমায় নিয়ে ভাবনা আমার
যত শত যাতনা
চুমুর উপরে এবার
কিছু একটা হোক না !
২.
কত নেতা-কেতা মিলে
করলো হরিলুট
আমার বেলায় তুমি শুধু
চুপ রে চুপ রে চুপ !...
৩.
সেতু হলো সেতু গেলো
কত শত কথা হলো
কত জনে উপরে উঠলো
আমার বেলায় তুমি শুধু আহা-উঁহু কেন করো !
৪.
তোমার লাল ঠোঁটের চুমুর জন্য
হাজার কোটি খানেক টাকার অস্ত্র এলো
আর আমার চাকরির বায়োডাটা-খানি
বাতিল ফাইলে চলে গেলো !
৫.
তোমার বাঁক-নেওয়া কোমর যখন
দেখে পাড়ার মাস্তান-টোকাইয়ে
তুমি তখন বাকা ঠোঁটে হাসি মারো টেনে -
শুধু আমার বেলায় অসভ্য-ইতর গালি ছুড়ে দেও কেমনে !
৬.
থাকবো না আর এই ভবে
যাবো অচিন দেশে
তোমার কাছে পাওনা চুমুর খাতাখানি
খুলবো রোজ কেয়ামতে !


                                                                                                                                               ১৪-০৯-১৩ । পাবনা । 

বুধবার, ১০ জুলাই, ২০১৩

আমার শহর



পোড় খাওয়া এই শহরে
ছুটে চলা অবিরত
হাজারো মুখের পাশে মুখ লাগানো
তবু যেন ভুলা যায় দম না ফেলতেই !   

শুধু ভুলা যায় না -
শহরের ক্লান্ত দুপুর গুলো
রাস্তার ধারে কোনো প্রাচীন
ভাঙা ইটের দেয়াল আর তাঁর পাশে
ছন্নছাড়া ভাবে গজিয়ে উঠা
কিছু লতা গুল্মের অবিরত চেষ্টা
সবুজের সমারোহে ডুবিয়ে দিব শহর ।

চারিদিকের হাহকার বাড়ছে, বাড়ছে মনের বিষাদ
বিষাক্ত ফনা নগ্নভাবে উন্মোচিত করে
ফেলা হচ্ছে আজি এই শহরের আনাচে কানাচে ।  
কি নিষ্ঠুর ভাবে একদিকে সে নিজেকে করছে অমরাবতী -
আবার অন্য দিকে স্ব’যত্নে খোলা রেখেছে বিষকুম্ভের পুরোনো ঢুলী !  

চারিদিকের সব কিছু এক অমোঘ আকর্ষণে
ছুটে চলেছে তাঁর দিকে !
যেন এই শহরের শুভ্র নীলার মাঝে ক্ষণিকের তরে
হারিয়ে যাওয়া আর স্বর্গে অবগাহন করা নয় ভিন্ন কথা !

যদিও স্বর্গ শব্দটা আজকাল সেকেলে এবং নিন্দিত !
ছন্নছাড়া, বাউন্ডুলে প্রাচীন এই শহরে আজি
প্রেমের বড় অভাব !
শহুরে বিষাক্ত সীসার প্রলেপ জড়ানো -
এই হৃদয়ের তল খুঁজে পাওয়া যায় না কিছুতেই !  

                            
                                                                                                      ১০/০৭/১৬/পাবনা

রবিবার, ৭ জুলাই, ২০১৩

এক টুকরো ভালোবাসা

তোমার নত লজ্জিত হাসি দেখেছি
দেখেছি - তোমার নরম লাল ঠোঁটের ঐতিহাসিক আহ্বান
দেখেছি - তোমার কালো আঁখি পাতে দিগন্ত রেখায় মাতাল হওয়ার বাসনা!

শুধু বুঝিনি তোমার মিথ্যা হাসি
বুক চিরে দেখা হয়নি লুকিয়ে থাকা কালো অন্ধকারকে!
শুধু ছিলো এক টুকরো বিশ্বাস
যার উপর দাঁড়িয়ে তুমি কথা না রাখা ধর্ম বিক্রেতার মতো
মিথ্যে বুলি আওড়ে যাচ্ছো অনবরত!

রবিবার, ৯ জুন, ২০১৩

"কালের চক্র"


আমার অপ্রশস্ত ঘরের ছোট্ট জানালার পাশে
দুর্গন্ধ যুক্ত শহুরে ড্রেনের ধারে -
আমার মধ্যবিত্ত, ধর্মভীরু মনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে
একটি নিম গাছ দিব্যি বেড়ে উঠেছে।

আমার অবাক বিস্ময় দেখে মিটি মিটি হাসির ঝলক দেয় সে।
আমি দেখছি – তার কৈশোর, তার যৌবন
আমি দেখছি- তার প্রসব কাহিনি, তার নতুন রূপ
আশ্চর্য স্ব-মহিমায় সে ভাস্বর!

চক্রাকারে তার যৌবন ফিরে আসে বারবার ...
গ্রীষ্মের খরতপ্ত মৃদু উষ্ণ বাতাসে তার সরু কচি পাতাগুলো
ঝির ঝির কাপন তুলে চারপাশে;
ছোট ছোট স্বর্ণ-হলুদ ফুলগুলোর যৌবন আয়োজনে
চারদিক হতে ছুটে আসে যত প্রেমিক-ভ্রমরের দল!

আমি অবাক হয়ে এইসব দেখতাম।
বছরের পর বছর আমি আমার মধ্যবিত্তের শিকল
না ছিড়তে পেরে বারবার সে উত্থান-পতন কাহিনি দেখি।
আমার নিরানন্দ উৎসবহীন জীবনে
এই একটি নিমগাছ তার একই কাহিনি নিয়ে
প্রতিবার উপস্থাপিত হয়!

কিন্তু প্রতিবার আমার অন্তরাত্মা কেঁপে উঠে,
সেই একই বিস্ময়ে আমি আবিভূত হয়ে পড়ি -
তার কচি পাতা, কচি ফুল, কচি ফল
সব কিছুর মাঝে বিশ্বপ্রকৃতির এক আশ্চর্য
নতুন নতুন সুর আমি খুজে পাই প্রতি ক্ষণে ক্ষণে!

দিনে দিনে সে সৌন্দর্যের পসরা বাড়িয়ে চলেছে
পূর্ণ যৌবনবতী নারীর বেশে কুটিল হাসি হেসে সে কটাক্ষ করে!
আর আমি সময় নামক অদৃশ্য বাঁধনে
জড়িয়ে ধীরে ধীরে শুষ্ক হয়ে যাই।
আমার চামড়া গুলো, আমার চুল গুলো তাদের যৌবন হারিয়ে
রসহীন হয়ে পরে থাকে!

মস্তিষ্কের স্মৃতির পাতায় পাতায় ধূলোর আস্তরণ গুলো
আরো বেশি পুরু হয়ে যায়!
জানালার লোহার শিকগুলোয় মরিচা গ্রাস করে নেয়
যেমন আমায় ধীরে ধীরে নিঃশেষ করে দিচ্ছে সময়।

মরিচে পড়া জানালার শিক গলে আমার চোখ যায়
নিম গাছটির উপর!
কেশহীন নারীর মতো সেও আজি শুষ্ক
শীতের অহংকারে তার ডালগুলো আজ নগ্ন।

হিম শীতল বাতাসে সে যেন নুয়ে পড়েছে
কোন এক পুরোহিতের দুর্বোদ্ধ ধর্মবাণী শুনে।
কিন্তু আমি জানি তার এ আত্মসমর্পণ বেশি দিনের নয়
আবার সে যৌবনবতী হয়ে মগ্ন হবে প্রকৃতি লীলায়
বসন্তের ভেলায় আবার সে উড়াবে তার বিজয় কেতন।

ষোড়শী মেয়ের উন্মাদনাময় উচ্ছল হাসির মতো
তার কচি পাতা গুলো আবার অণুরিত হবে ডালে ডালে।

কিন্তু আমার চামড়া গুলো ততদিনে আরো ঝুলে যাবে
যেন কোন পরিত্যক্ত মাকড়শার জাল দেওয়ালে ঝুলে আছে
সময়ের নিষ্ঠুর গ্রাসের খাবার হয়ে
আমি হারিয়ে যাব কালের চিরায়ত গহ্বরে!

আমার মরচে ধরা জানালার শিকগুলো
এক সময় ঝুর ঝুর হয়ে মিলিয়ে যাবে পলকা বাতাসে
কিন্তু তখনো- সেই নিম গাছটি আবারো অমরাবতী হবে!
তার প্রতিটি কোষে কোষে আবারো যৌবন পরিস্ফুটিত হবে
আবারো চারিদিক হতে ছুটে আসবে প্রেমিক ভ্রমরের দল!


০৫-০৬-১৩/পাবনা

আমার প্রিয় কিছু...

  • রবি ঠাকুরঃ- চোখের বালি, শেষের কবিতা, যোগাযোগ, গোরা, মালঞ্চ, বউ ঠাকুরানীর হাট, রাজর্ষি, নৌকাডুবি, ঘরে-বাইরে, চতুরঙ্গ, দুই বোন, চার অধ্যায়, প্রজাপ্রতির নিবন্ধ, সোনার তরী, গল্প গুচ্ছ সমগ্র, এবং গীতবিতান সমগ্র । - রবীন্দ্রনাথে আমি মনের অব্যক্ত কথা গুলো খুঁজে পাই । রবীন্দ্রনাথ আমাকে প্রশান্তি এনে দেয়, তাঁর গান কবিতা আমার মননে , আমার চিন্তায় বিল্পব ঘটায় । আমার চিত্তের কাছে আবেদন জানায় ।
  • বই- পথের পাচালি, অশনি সংকেত, প্রথম আলো-১,২, সেই সময়, পার্থিব, উত্তরাধিকার, কালবেলা, কালপুরুষ, মেমসাহেব, ময়ূরাক্ষী, জোছনা ও জননীর গল্প, বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়, ন হন্যতে, লা নুই বেঙলি , দেবদাস, পরিণীতা, পল্লি সমাজ, বামুনের মেয়ে, চিত্রনাথ
  • চলচিত্র- অশনি সংকেত, অরণ্যের দিবারাত্রি, মেমসাহেব, টেলিভিশন, মনের মানুষ